• শিরোনাম


    আখাউড়ায় তিন ইউনিয়নের মানুষ পানিবন্দি, চাল ও শুকনা খাবার বিতরণ।

    রিপোর্ট: মোঃ অমিত হাসান অপু, আখাউড়া প্রতিনিধি: | ১৫ জুলাই ২০১৯ | ১০:৫৭ অপরাহ্ণ

    আখাউড়ায় তিন ইউনিয়নের মানুষ পানিবন্দি, চাল ও শুকনা খাবার বিতরণ।

    অব্যাহত ভারী বর্ষণ ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার আখাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।

    আখাউড়া উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের অন্তত ২০টি গ্রামের মানুষ ইতিমধ্যে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষকের সবজি ক্ষেত, ফসলি জমি, পুকুরসহ এলাকার রাস্তাঘাট ও বাড়িঘর।



    অতি বৃষ্টি ও ওপারের পাহাড়ী ঢলের পানিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে আখাউড়া স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট কার্যালয় হয়ে ভারতগামী পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।আখাউড়া-আগরতলা আন্তর্জাতিক সড়ক দিয়েও পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

    গতকাল সকালে আখাউড়ায় হাওড়া নদীর বাঁধ ভেঙ্গে কর্ণেল বাজার এলাকা দিয়ে প্রবেশ করা পাহাড়ী ঢলের পানিতে উপজেলার মনিয়ন্দ, মোগড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের, খারকুট, মিনারকুট, কুড়িবিল, পদ্মবিল, টনকি, ইটনা, কর্ণেল বাজার, খলাপাড়া, কুসুমবাড়ি, আওরারচর, উমেদপুর, সেনারবাদি, ছয়ঘরিয়া, বাউতলা, দরুইন, বচিয়ারা, বাগানবাড়ি, নোয়াপাড়া, নিলাখাত, টানুয়াপাড়া, ধাতুর পহেলা, চরনারায়নপুর ও আদমপুর কালিকা পুর,আবদুল্লাহ পুর,বীরচন্দ্র পুর,বঙ্গের চরসহ বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে কৃষকের রোপা ফসলি জমি ও সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। এছাড়াও তলিয়ে গেছে গ্রামীণ রাস্তাঘাট।

    উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন জানান, তার ইউনিয়নের কৃষকের সবজি ক্ষেত ও ঘরবাড়ি ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে। নিচু এলাকার সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। ত্রিপুরার পাহাড়ী ঢলের পানিতে প্লাবিত হওয়ায় পুকুরে মাছ ভেসে যাচ্ছে।

    দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জালাল উদ্দিন জানান, ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়ী ঢলের পানি কালন্দি খাল দিয়ে সামনের দিকে দ্রুত সরতে পারছে না। অন্যদিকে হাওড়া নদীর বাঁধ ভাঙ্গার কারণে দক্ষিণ ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে পানি প্রবেশে মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে।

    আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার রেইনা জানান, ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে হাওড়া নদীর বাঁধ ভেঙে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে। ঢলের পানিতে যাদের বসতঘর ঝুঁকিপূর্ণ (মাটির ঘর) তাদেরকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নেয়া হচ্ছে।পানিতে ক্ষতি গ্রস্থদের মাঝে তাৎক্ষনিক ১০ মে:টন চাল ও শুকনা খাবার বিতরন শুরু করা হয়েছে।

    এদিকে আখাউড়ার প্লাবিত বিভিন্ন এলাকা ও ভেঙ্গে যাওয়া হাওড়া বাদ পরিদর্শন করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক সাহেদুল ইসলাম(সার্বিক)এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার রেইনা,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাসেম ভূইয়া প্রমূখ।

    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম