• শিরোনাম


    আকবর ভূঁইয়া গ্রেফতার প্রসঙ্গে ওসি মো.আব্দুল আহাদ (গোয়াইনঘাট থানা) এর বিশ্লেষণ

    এম এ.রহিম গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রতিনিধি (সিলেট)। | ১১ নভেম্বর ২০২০ | ৫:৪৫ পূর্বাহ্ণ

    আকবর ভূঁইয়া গ্রেফতার প্রসঙ্গে ওসি মো.আব্দুল আহাদ (গোয়াইনঘাট থানা) এর বিশ্লেষণ

    আমরা পুলিশ, আমরা আপনাদের সেবা দিতে গিয়ে বাবা মা ভাইবোন, স্ত্রী ছেলে সন্তানদের ছেড়ে দেশের ৬৪টি জেলায় এবং বিভিন্ন থানায় আমাদের থাকতে হয়।
    আপনারা জানেন পুলিশের পক্ষ থেকে প্রায়’ই বলা হয়, পুলিশই জনতা আর জনতাই পুলিশ।
    এই কথার ব্যাখায় কি বলা হয়েছে জানেন??
    জনতার জন্য পুলিশ আর পুলিশের জন্য জনতা।
    আকবর কে ধরার জন্য এসপি স্যার। জনতা কে ব্যবহার করেছেন সোর্স হিসেবে, কারণ আইনি প্রতিক্রিয়ায় আকবর কে গ্রেফতার করতে হলে টের পেয়ে যদি সে পালিয়ে যায় তাহলে অপারেশন ব্যর্থ হবে।
    সিলেট জেলা মাননীয় পুলিশ সুপার মহোদয়ের প্রশংসনীয় পরিকল্পনায় গ্রেফতার হলো আকবর।

    আইনি প্রক্রিয়ায় আকবর কে আনা জটিল ও সময়ের বেপার। তাছাড়া বিএসএফ ও বিজিবি বৈঠক ও কঠিন কাজ ছিলো।



    খাসিয়াদের নিকট থেকে আকবর কে রহিম সহ প্রায় ৬ জনেই নিয়ে আসে ভারতের পাহাড় ঘেরা এলাকা থেকে।
    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও তেমনি ভাইরাল হয়েছে। স্বাভাবিক দেখা এ-ই ভিডিও।
    ভিডিও গুলো তদন্ত সাপেক্ষে দেখলেই বুঝা যায় সিলেটের সুনামধন্য পুলিশ সুপার মো.ফরিদ উদ্দিন স্যারের প্রেস ব্রিফিং ও সঠিক।
    কারন আইনি প্রক্রিয়ায় আকবর কে দেশে আনা জটিল ও সময়ের বেপার। তার ছাড়া বিএসএফ ও বিজিবি বৈঠক ও কঠিন কাজ।

    অজানা সমালোচনার ফাঁদে যারা মিছিল দিচ্ছেন,
    আসুন বিশ্লেষণে জেনে নেই মহানায়ক এসপি স্যারের আউটসোর্সিং সম্পর্কে।

    ১/ ভারতীয় খাসিয়া পুঞ্জিতে (পাহাড়) এলাকায় আকবর কে আটকের পর, বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সোর্সের মাধ্যমে পুলিশী বিচক্ষণতার জন্য পাবলিক ব্যবহার করাহয়।
    এসপি মহোদয়ের নির্দেশে কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ থানার ওসি দ্বয়ের মাধ্যমে তাদের (বর্ডার) সীমান্ত অতিক্রম করে অপেক্ষমাণ পুলিশ গ্রহণ করেন আকবরকে।

    ২/ সকল সোর্স পাবলিক, চেয়ারম্যান ও সাদা পোষাকের এ-ই খবরটির পিছনে পুলিশের তৎপরতা এবং চেয়ারম্যান ও জনগণের সম্পৃক্ততা ছিলো।
    আইনি ভাবে পুলিশ ন-মেন্স লেণ্ডে যেতে পারেন না
    তাই এত নীরবতা।
    সকল কাজ পুলিশের তত্বাবধানে হয়েছে।
    এখানে আরেকটি জিনিস লক্ষ্য করবেন রহিম সহ এ-ই লোকগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে আকবর ভূঁইয়া কে মারধর বা খারাপ আচরণ করেনি। পানির বোতলও দিয়েছে। ও যদি চলে যায় তাই হাত-পা বেধেছে।

    ৩/ আরেকটি তথ্য জেনে নিন, সাহসী যুবক রহিমের মোবাইল কথোপকথন শুনলে দেখবেন, ওসি স্যার ও প্রশাসনের লোককে খবর দিচ্ছেন এবং মোবাইল নেট দূর্বল তাও বলছেন।

    ৪/আপনারা বাস্তবতার গভীরে না গিয়ে সুনামধন্য এসপি ফরিদ উদ্দিন মহোদয় কে নিয়ে অযথা সমালোচনা করছেন।
    ৫/ সকল পুলিশ প্রদীপ, লিয়াকত, আকবর নয় কিন্তু। হাতে গুনা কিছু পুলিশ সদস্য খারাপ আর খারাপের তেরাপিও অব্যাহত রয়েছে বটে।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম