• শিরোনাম


    অবশেষে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন আধিপত্য সংঘর্ষে পা হারানো সেই যুবক

    নবীনগর প্রতিনিধি | ১৫ এপ্রিল ২০২০ | ১২:৫৯ অপরাহ্ণ

    অবশেষে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন আধিপত্য সংঘর্ষে পা হারানো সেই যুবক

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের থানাকান্দি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে ঘটে যাওয়া সংর্ঘষে দাঙ্গাবাজদের হাতে পা হারানো মোবারক মিয়া(৪৫)চারদিন আসহ্য যন্ত্রনায় ছটফট করে অবশেষে মারা গেছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দিবাগত রাত প্রায় দেড়টার দিকে তার মৃত্যু হয়। গত ১২-০৪-২০২০ই
    নবীনগরের কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের হাজিরহাটি গ্রামে দাঙ্গাবাজরা মোবারকের বাম পা গোড়ালীর ওপরের অংশ থেকে কুপিয়ে বিচ্ছিন্ন করে । এরপর কাটা পা হাতে নিয়ে পৈচাশিক উল্লাসে আনন্দ মিছিল করে। এসময় ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দেয় দাঙ্গায় জড়িত এই নরপশুরা। পরিবারের লোকজন জানান- তার ডান পা-ও কুপিয়ে আলাদা করার চেষ্টা করে দূর্বৃত্তেরা । দুই হাত এবং পিঠেও
    বেশ কয়েকটি কোপ দেয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ৪দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে মারা যান মোবারক। ঘটনার পরপরই তাকে কোপানোর সঙ্গে জড়িত ক’জনের নাম প্রকাশ করেন মোবারক। তারা হচ্ছেন থানাকান্দি হাতবাড়ি গ্রামের সিরাজের ছেলে খোকন, হাজিরহাটি গ্রামের মাঈনুদ্দিনের ছেলে রুমান, ,জিল্লুর ছেলে শাহিন ও মালির ছেলে জাবেদ।

    বাকীদের সে চিনতে পারেনি বলে জানায়। তার এই বক্তব্যের মোবাইলে করা ভিডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় মোট ১২/১৩ জন জড়িত বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। ঢাকায় রিকসা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহকারী মোবারক
    করোনা পরিস্থিতির কারনে বাড়িতে এসেছিলেন। গ্রামে দু-পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন।
    মোবারকের স্ত্রী সাবিয়া জানান- তার সামনেই মোবারককে মাটিতে সোজা করে শুইয়ে ফেলে কোপানো হয়।
    এসময় তিনি অদূরেই থাকা পুলিশের কাছে ছুটে গিয়েছিলেন সাহায্যের জন্যে। তার স্বামীকে মেরে ফেলা হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ তাকে উল্টো ধাওয়া দেয়। সাবিয়া জানান, ঘটনাস্থলের কাছে ৩০/৪০ জন পুলিশ অবস্থান করছিলো। তারা ঝগড়া থামানোর কাজ না করে আসামী ধরাতেই ব্যস্ত ছিলো। মোবারক গ্রামের কোন ঝগড়া-দলাদলিতে ছিলেননা বলেও জানান তার স্ত্রী। তার জন্ম এবং বিয়েশাদী সব ঢাকাতেই। বছর চারেক আগে পরিবার নিয়ে গ্রামে চলে আসেন মোবারক। কিন্তু গ্রামের দাঙ্গা পরিস্থিতির কারনে এরমধ্যে দেড়বছর শ্বশুর বাড়িতে কাটাতে হয় তাকে । পরে আবার ঢাকায় চলে যান রিকসা চালাতে।



    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ০৯ অক্টোবর ২০১৯

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম